সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

ওয়ার্ড পর্যায়ে ধান সংগ্রহ কেন্দ্র চালু এখন সময়ের দাবি

  • আপলোড সময় : ২৭-০৫-২০২৫ ১২:১২:৪২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৫-২০২৫ ১২:১২:৪২ পূর্বাহ্ন
ওয়ার্ড পর্যায়ে ধান সংগ্রহ কেন্দ্র চালু এখন সময়ের দাবি
সুনামগঞ্জসহ দেশের হাওর অঞ্চলে এবছর বাম্পার বোরো ধানের উৎপাদন আমাদের কৃষি খাতের সম্ভাবনাকে আবারও প্রমাণ করেছে। প্রায় ১৪ লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি ধান উৎপাদনের মধ্য দিয়ে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষকের স্বাবলম্বী হওয়ার আশাব্যঞ্জক বার্তা মিললেও দুঃখজনকভাবে সেই সুফল কৃষকের ঘরে পৌঁছাচ্ছে না। প্রধান কারণ- সরকারি গুদামে ধান সরবরাহ করতে গিয়ে হাওরের দুর্গম এলাকার কৃষকদের যাতায়াত বিড়ম্বনা, অতিরিক্ত পরিবহন খরচ ও সীমিত সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা। ফলে বাজারে ন্যায্য দাম না পেয়ে এবং গুদামে দিতে উৎসাহ হারিয়ে অনেক কৃষক বাধ্য হচ্ছেন মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে ধান বিক্রি করতে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী দাবি হলো- ওয়ার্ড বা ইউনিয়ন পর্যায়ে ধান সংগ্রহ কেন্দ্র চালু করা। হাওর অঞ্চলের বাস্তবতা হলো- সড়ক ব্যবস্থা দুর্বল, অনেক এলাকা বছরের দীর্ঘ সময় জলমগ্ন থাকে, যা থেকে নৌকা, ট্রলি বা শ্রমিক খরচ বেড়ে যায়। গড়ে প্রতি মণে পরিবহন ব্যয় দাঁড়ায় ২০০ টাকার মতো, যা সরকার নির্ধারিত মূল্য (মণপ্রতি ১,৪৪০ টাকা) থেকে কৃষকের লাভ কমিয়ে দেয়। যদি সরকার ওয়ার্ড বা ইউনিয়ন পর্যায়েই ধান সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করে, তাহলে- কৃষকের ধান ঘর থেকেই সংগ্রহ সম্ভব হবে, পরিবহন খরচ বাঁচবে, সংগ্রহ কার্যক্রম গতিশীল হবে, সরকার নির্ধারিত গুণগতমান বজায় রেখেও সহজে ধান মজুদ করা সম্ভব হবে। বহু কৃষক ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, যদি ঘরের কাছাকাছি ধান দেওয়ার সুযোগ থাকে, তাহলে তারা সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হবেন। এছাড়া বেসরকারি দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যও এভাবে রোধ করা সম্ভব। সরকার যে ‘কৃষিবান্ধব’ নীতির কথা বলে থাকে, তা বাস্তবে রূপ দিতে হলে ওয়ার্ড পর্যায় থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ চালুর মতো বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। শুধু মন্ত্রণালয় বা জেলা শহরে বসে সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না - কৃষকের মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই গঠন করতে হবে কার্যকর সংগ্রহ নীতি। আমরা মনে করি, একজন কৃষকের ঘামে ভেজা ধানের প্রতি সম্মান জানাতে হলে, তার ধান কেনার পথকে সহজ করতে হবে। ওয়ার্ডভিত্তিক ধান সংগ্রহ কেন্দ্র গড়ে তোলা হোক হাওরের কৃষকের প্রাপ্য ন্যায্যতার প্রথম ধাপ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স